Psychology Of The Homosapien

Related image

Psychology Of The Homosapien Are Too Mysterious
They Living This World For Every Lovable Things Such-
The Sun, Moon Or Full Sky With Twinkle Twinkle Lil’ Stars 
Can Survive For Alive Here Wanna Get Dreamy Touch….

 

Advertisements

Story Of Life

 

 

s hqdefault

১৯৭২ সাল। নরেন্দ্রপুরে ইউনাইটেড ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ায় কেরানীর চাকরি করছি। বছর ১২-১৩র একটি ছেলে, গায়ে আধময়লা জামাপ্যান্ট খালি পা, অফিসে ঢুকে বলল – “তোমরা আমায় টাকাধার দেবে? আমি ব্যবসা করব।“
কিসের ব্যবসা?
“লজেন্সের। একটা কাঁচের বয়াম কিনব। লজেন্স কিনব। গড়িয়ার মোড়ে বিক্রি করব। কুড়ি টাকা হলেই হবে।“
আমরা, তরুন কেরানীরা চাঁদা তুলে তাকে টাকা দিলাম।
মাসখানেক পর রথতলা স্টপেজে দাঁড়িয়ে আছি, দেখি সেই ছেলেটা। আমায় দেখে ছুটতে ছুটতে আসছে। সেই একই আধময়লা জামাপ্যান্ট, খালি পা। হাতে একটা কাঁচের বয়ামে সবুজ সবুজ লেবেঞ্চুস। এক গাল হেসে হাঁফাতে হাঁফাতে বলল – “দেখেছ, তোমাদের দেওয়া টাকা নষ্ট করিনি, ব্যবসা করছি।“ কি গর্ব ছোট্ট ছেলেটার মুখে চোখে।
ঐ ছেলেটা আমায় বেঁচে থাকার সাহস দেয়।

১৯৮৫ সাল। নিকারাগুয়ার বিপ্লবের উপর বই লিখতে গিয়েছি সেই দেশে। মানাগুয়ার পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছি। একটি কিশোর রাস্তায় খেলছে ঠিক আমাদের দেশের সাধারণ ছেলেদের মত। তাকে একথা ওকথা জিজ্ঞাস করতে করতে হঠাৎ দুম করে প্রশ্ন করলামঃ তোমার দেশে একটা বিপ্লব হয়েছে। তুমি জানো?
-হ্যাঁ।
বিপ্লব কি? – আমার প্রশ্ন কিশোরটি ভাবতে লাগল, একটু অন্যমনস্ক হয়ে, রাস্তায় পায়ের আঙ্গুল ঘসতে ঘসতে। তারপর হঠাৎ মুখ তুলে বলল “সোই লা রেভলুসিয়ন” –
আমিই বিপ্লব।

গড়িয়ার লেবেঞ্চুস ছেলেটার সঙ্গে যদি মানাগুয়ার ঐ ছেলেটার দেখা হত? নিশ্চয়ই খুব বন্ধু হত দু’জনে।