বখতিয়ার খিলজীর বাংলা বিজয়

কয়েক হাজার অক্ষরের বিন্যাসে লেখা ইতিহাসের বইটা যতটা নীরস লাগে, মূল ইতিহাস কিন্তু ততোটা রসহীন হয় না। প্রতিটি ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে থাকে অজস্র উত্থান-পতন, রক্তপাত, দুর্বিষহ বাস্তবতা। “বখতিয়ার খিলজী ১২০৪ সালে মাত্র ১৭ জন অশ্বারোহী সেনা নিয়ে নদীয়ার রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা জয় করেন”- ইতিহাসের বইয়ের এই লাইনটি নিশ্চয় সবার ঝাড়া মুখস্ত রয়েছে? যদিও এর আগের বা পরের কোনো কিছুই আমাদের ঠিকমতো জানা নেই। চলুন জেনে নেয়া যাক সেই বখতিয়ার খিলজী আর তার দুর্ধর্ষ অভিযানের কথা।

খ্রিষ্টীয় ত্রয়োদশ শতকের গোড়ার কথা। তখন বাংলায় রাজত্ব করতেন সেন বংশের রাজা লক্ষণ সেন। তিনি নদীয়ায় বাস করতেন। একদিন তার দরবারের পন্ডিতরা তাকে বললেন যে, তাদের প্রাচীন গ্রন্থে লিখিত আছে, বাংলা তুর্কীদের দখলে যাবে। ততদিনে সমগ্র উত্তর ভারত তুর্কীরা অধিকার করেছে এবং বখতিয়ার খিলজী বিহার জয় করেছেন।

রাজা ব্রাহ্মণ পন্ডিতদের কাছে জানতে চাইলেন প্রাচীন গ্রন্থে বাংলা আক্রমণকারীর দেহাবয়ব সম্পর্কে কোনো ইঙ্গিত আছে কিনা। জবাবে পন্ডিতগণ জানান, যে তুর্কী বাংলা জয় করবেন, তিনি আকৃতিতে খাটো এবং দেখতে কুৎসিত হবেন, তার হাতগুলো হাঁটু পর্যন্ত লম্বা হবে। বিশ্বস্ত লোক পাঠিয়ে রাজা লক্ষণ সেন নিশ্চিত হন যে, বিহারজয়ী বখতিয়ার খিলজীর সাথে উক্ত বিবরণগুলি মিলে যায়। তুর্কী আক্রমণ এক প্রকার অত্যাসন্ন বুঝেও লক্ষণ সেন তা আমলে নেন নি। ব্রাহ্মণ পন্ডিতগণ রাজার অনুমতি ছাড়াই নদীয়া ছেড়ে চলে যান।

ঐতিহাসিক মিনহাজ-ই-সিরাজ তার ‘তবকাত-ই-নাসিরি’ গ্রন্থে উপরোক্ত তথ্যটি প্রকাশ করেন। ঘটনাটি সত্যিই ঘটেছিলো কিনা তা জোর দিয়ে বলার উপায় নেই। কিন্তু তার অনতিকাল পরেই বখতিয়ার খিলজী নদীয়া আক্রমণ করেন এবং বাংলায় মুসলিম শাসন সাম্রাজ্য স্থাপন করেন।

উপমহাদেশে মুসলিম সাম্রাজ্য বিস্তারের তিনটি স্তর দেখা যায়। প্রথমত, আরবগণ মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে ৭১২ খ্রিস্টাব্দে সিন্ধু ও মুলতান জয় করে। দ্বিতীয় পর্যায়ে তুর্কী সুলতান আমীর সবুক্তগীন ও তার পুত্র সুলতান মাহমুদ দশম শতাব্দীর শেষ দিকে বারবার উপমহাদেশ আক্রমণ করে লাহোর পরিবেষ্টিত এলাকা স্বীয় গজনী রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন। তৃতীয় পর্যায়েও তুর্কীরাই আক্রমণ পরিচালনা করে। এইবার নেতৃত্ব দেন মুহাম্মদ ঘুরী। এবারের আক্রমণে তুর্কীরা দিল্লীকে কেন্দ্র করে উপমহাদেশে স্থায়ী মুসলিম সাম্যাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। বখতিয়ার খিলজীর বাংলা আক্রমণ এই তৃতীয় পর্যায়ের আক্রমণেরই অংশ।

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন। তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। তার বাল্যজীবন সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না। তবে মনে করা হয় যে, তিনি দারিদ্রের নিষ্পেষণে স্বদেশ পরিত্যাগ করে জীবিকার সন্ধানে বের হন। মুহাম্মদ ঘুরী তখন ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান চালাচ্ছিলেন। বখতিয়ার, ঘুরীর সৈন্যদলে চাকুরীপ্রার্থী হয়ে ব্যর্থ হন। তখন নিয়ম ছিলো, প্রত্যেক সৈন্যকে নিজ ঘোড়া ও যুদ্ধাস্ত্রের ব্যবস্থা নিজেকেই করতে হতো। সামর্থ্যের অভাবে বখতিয়ার ঘোড়া বা ঢাল-তলোয়ার কিছুই যোগাড় করতে পারেননি। তাছাড়া খাটো দেহ, লম্বা হাত ও কুৎসিত চেহারার বখতিয়ার খিলজী সেনাধক্ষ্যের দৃষ্টিও আকর্ষণ করতে পারেননি।

গজনীতে ব্যর্থ হয়ে বখতিয়ার দিল্লীর সম্রাট কুতুবউদ্দিন আইবেকের কাছে আসেন এবং সেখানেও ব্যর্থ হন। অতঃপর বখতিয়ার পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে বদাউনে গিয়ে পৌঁছেন। বদাউনের শাসনকর্তা মালিক হিজবর-উদ-দীন তাকে নগদ বেতনে চাকুরীতে রাখেন, তবে এমন চাকুরীতে বখতিয়ার সন্তুষ্ট ছিলেন না। কিছুদিন কাজ করার পর তিনি অযোধ্যায় চলে যান। অযোধ্যার শাসক হুসাম-উদ-দীন বখতিয়ারের প্রতিভা অনুধাবন করেন এবং তাকে ভিউলী ও ভগত নামে দু’টি পরগনার জায়গীর প্রদান করে মুসলিম রাজ্যের পূর্বসীমান্তে সীমান্তরক্ষীর কাজে নিযুক্ত করেন। এখানে বখতিয়ার তার ভবিষ্যৎ উন্নতির সম্ভাবনা দেখতে পান।

বখতিয়ারের জায়গীর সীমান্তে অবস্থিত হওয়ায় তিনি পার্শ্ববর্তী হিন্দু রাজ্যগুলির সংস্পর্শে আসেন এবং স্বীয় রাজ্য বিস্তারের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। পার্শ্ববর্তী হিন্দু রাজ্যগুলিতে পূর্বে থেকেই তুর্কী আক্রমণের আতঙ্ক লেগে ছিলো। তার উপরে পারষ্পারিক অন্তর্বিরোধ লেগে থাকাতে সংঘবদ্ধ হওয়া তাদের জন্য সম্ভব ছিল না। বখতিয়ার খিলজীর জন্যে এটা ছিল উপযুক্ত সুযোগ। তিনি কিছু সৈন্য সংগ্রহ করে এক এক করে হিন্দু রাজ্য আক্রমণ ও লুট করতে থাকেন। এই সময় ঠিক রাজ্য বিস্তার করা তার উদ্দেশ্য ছিল না, বরং ধন-সম্পদ হস্তগত করে একটি বিরাট সৈন্যবাহিনী গঠন করে বড় একটা কিছু করাই তার পরিকল্পনা ছিল। ধীরে ধীরে তার নাম ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে চারিদিক থেকে ভাগ্যান্বেষী মুসলিমরা, বিশেষ করে বখতিয়ারের স্বীয় খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত লোকজন এসে তার সাথে যোগ দিতে থাকে।

এইভাবে অগ্রসর হবার সময় একদিন তিনি প্রাচীরবেষ্টিত দুর্গের ন্যায় একটি স্থানে এসে উপস্থিত হন। সেখানেও স্বভাবসুলভ চড়াও হয়ে তিনি এর বহু অধিবাসী হত্যা করেন এবং কোনো বাধা ছাড়াই জায়গাটি দখল করে নেন। সেখানকার অধিবাসিরা সকলেই ছিল মুন্ডিত মস্তক, এরা ছিল বৌদ্ধ ভিক্ষু এবং স্থানটি ছিল বই-পুস্তকে পরিপূর্ণ। জিজ্ঞাসাবাদ করে তিনি জানতে পারেন সেটি কোনো দুর্গ নয়, বৌদ্ধবিহার। বিহারটির নাম ওদন্তপুরী বিহার। ঐ সময় থেকে মুসলিমরা জায়গাটির নাম দিলেন বিহার বা বিহার শরীফ। জায়গাটি সেই নামেই এখনও পরিচিত। এভাবেই বিহার জয় করে নেন বখতিয়ার খিলজী। বিহারে এখনও বখতিয়ারপুর নামে একটি জায়গা আছে। এছাড়া এই লাগামহীন বিজয়ের পথে বখতিয়ার ঐতিহাসিক নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ও ধ্বংস করেন।

এর পরের বছর আরও বিপুল সংখ্যক সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার নদীয়া আক্রমণ করেন। তিনি এতোই ক্ষিপ্রতার সাথে ঘোড়া চালনা করেন যে, তার সাথে মাত্র ১৮ জন সেনা আসতে পেরেছিলো। আমাদের দেশে প্রবাদ আছে যে, ১৭ জন অশ্বারোহী বাংলা জয় করেন। কথাটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়। ঐতিহাসিক মিনহাজ সুস্পষ্টভাবে বলেন, বখতিয়ার খিলজী ১৮ জন অশ্বারোহী নিয়ে নদীয়া পৌঁছেন এবং তার মূল বাহিনী পেছনে আসছিল।

রাজা লক্ষণ সেনের রাজধানী ছিল ঢাকার বিক্রমপুরে। তিনি বৃদ্ধ বয়সে গঙ্গাপাড়ের পবিত্র তীর্থস্থান নদীয়ায় বাস করছিলেন। তিনি একজন সাহসী যোদ্ধা এবং সুশাসক ছিলেন। নিজ রাজ্য রক্ষার কোনো পূর্ব প্রস্তুতি তিনি নেন নি এমনটা ধরা যায় না। ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, তিনি রাজ্যের মূল প্রবেশপথ তেলিয়াগড় গিরিপথে প্রহরার ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু সুকৌশলী বখতিয়ার খিলজী সেই পথে না গিয়ে দক্ষিণ দিকের জঙ্গলাকীর্ণ এলাকা ঝাড়খন্ডের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হন।

তিনি তার বাহিনীকে ছোট ছোট দলে ভাগ করেন এবং নিজে এরকম একটি দলের অগ্রভাগে ছিলেন। ফলে যখন তিনি নদীয়া পৌঁছেন, কেউ ভাবতেও পারেননি যে তুর্কী বীর বখতিয়ার খিলজী বাংলা জয় করতে এসেছেন। সবাই তাকে সাধারণ ঘোড়া ব্যবসায়ী ধরে নেয়। খিলজী সোজা রাজা লক্ষণ সেনের প্রাসাদদ্বারে উপস্থিত হন এবং দ্বাররক্ষীদের হত্যা করেন। রাজা তখন মধ্যাহ্নভোজে লিপ্ত ছিলেন। খবর শুনে তিনি নগ্নপদে প্রাসাদের পশ্চাৎদ্বার দিয়ে পলায়ন করেন এবং বিক্রমপুরে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেন।

বখতিয়ার খিলজী ৩ দিন যাবৎ নদীয়া লুটপাট করেন। লক্ষণ সেনের বিপুল ধন-সম্পদ, ভৃত্যবর্গ ও অনেক হস্তী তার হস্তগত হয়। প্রায় বিনা যুদ্ধেই বখতিয়ার নদীয়া জয় করে নেন। মনে রাখতে হবে, তিনি সমগ্র বাংলা জয় করেননি, বাংলার একটি অংশ জয় করেছিলেন মাত্র। তিনি নতুন জয় করা রাজ্যের নাম রাখেন ‘লখনৌতি’।

নবপ্রতিষ্ঠিত রাজ্যে তিনি সুশাসনের ব্যবস্থা করেন। তার সাথে অভিযানে সময় এবং পরবর্তীতে যেসব মুসলিম সেখানে বসবাসের জন্য আসেন, তাদের জন্য তিনি মসজিদ, মাদ্রাসা ও খানকাহ নির্মাণ করেন। তিনি জানতেন, শুধু সামরিক শক্তির উপরেই একটি রাজ্যের প্রতিরক্ষা নির্ভর করে না, পরিপূর্ণ শান্তির জন্য চাই অভ্যন্তরীন শৃঙ্খলা। আর তাই তার প্রতিষ্ঠিত মুসলিম রাজ্যের স্থায়ীত্ব বিধানে তিনি সুষ্ঠু মুসলিম সমাজ তৈরির প্রয়াস নেন।

হিন্দু ও বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের কাছে বখতিয়ার খিলজী শুধুই একজন খুনী, লুটেরার নাম। তবে এটাও ঠিক, ইতিহাসের একটি অংশের ধ্বংস তার হাতে এবং আরেকটি অংশের সৃষ্টি তার হাতে। তার আমলে ভারতবর্ষে বিপুল পরিমাণ মানুষ ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়। বাংলাদেশের খ্যাতিমান কবি আল মাহমুদ তার ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ কাব্যগ্রন্থে বখতিয়ার খিলজীকে একজন প্রশংসনীয় বীর হিসেবে চিত্রায়িত করেছেন। যদিও এই দুর্ধর্ষ বীরের পরিসমাপ্তি সুখকর হয়নি। বাংলা বিজয়ের অনতিকাল পরে তিনি তিব্বত আক্রমনে বের হন। এই অভিযানে তিনি শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হন এবং তার বিপুল সংখ্যক সেনা ধ্বংস হয়ে যায়। মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

তথ্যসূত্র

১) বাংলার ইতিহাসঃ সুলতানী আমল- আবদুল করিম

২) en.wikipedia.org/wiki/Muhammad_bin_Bakhtiyar_Khilji

৩) thetinyman.in/2012/09/bakhtiyar-khiljis-conquest-of-bengal.html

Advertisements

নরখাদক আঘোরীদের ইতিকথা

উত্তর প্রদেশের বেনারাস শহরে ছুটি কাটাতে এসেছেন গগনবাবু। ছুটি কাটানোর জন্য বেনারাস শহর যে কীরকম তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন তিনি, তীর্থযাত্রীদের ভীড়ে জান যায় যায় অবস্থা। তবে গঙ্গার খোলা হাওয়া শান্তির যে পরশ বুলিয়ে যাচ্ছে তাও কম না, অন্তত কলকাতার মত শহরে এ জিনিস আশা করাই পাপ।

বেলা বাড়তেই ভীড় হওয়ার কারণে আজ একটু সকাল করেই বেরিয়েছেন হাওয়া খেতে। অন্যমনস্ক হয়ে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ কী একটা যেন পায়ের ধাক্কায় ছিটকে দূরে গিয়ে পড়ল। জিনিসটা চোখে পড়তেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গেল তার, এ যে নর মস্তকের খুলি! পাশে ফিরতেই একটা ধাক্কা খেলেন গগনবাবু। গেরুয়া বসনে গাঁজার কলকে হাতে রুদ্রাক্ষের মালা পরিহিত সাধুকে তো প্রতিদিনই দেখতে পান। কিন্তু এ সাধুর চোখ তো ভাটার আগুনের মতোই লাল, আর সেটা তার দিকেই চেয়ে রয়েছে। কোনোমতে মাথার খুলিটি নিয়ে সাধুর সামনে রেখেই ভোঁ দৌড় হোটেলের দিকে। সাধুকে দেখার পরেই মাথা ঝিমঝিম করছে কলকাতার স্বনামধন্য ডাক্তারের। হোটেলের রুমে ঢুকে শুয়ে পড়তেই ঘুমে ঢুলুঢুলু হয়ে এল চোখজোড়া।

ঘোরের মধ্যেই নিজেকে আবিষ্কার করলেন বিশাল এক খোলা মাঠে। অমাবস্যার ঘুটঘুটে অন্ধকারে কিছুই দেখতে পেলেন না প্রথমে। হঠাৎ করেই তার পিলে চমকে দিয়ে পাশেই আগুন জ্বলে উঠল। আগুনের কাছে যেতেই দ্বিতীয়বার চমকে উঠলেন তিনি, চন্দন কাঠের চিতায় যে তার মতোই দেখতে কাউকে শোয়ানো হয়েছে। বেশি কিছু চিন্তা না করে পালানোর কথা ভাবতেই সামনে দেখলেন তার সব পথ আটকানো। একদল নগ্ন আঘোরী সাধু তাকে আর সেই চিতাকে গোল করে ঘিরে ঢাকের তালে তালে উদোম তালে নাচছেন! ধীরে ধীরে নাচের বৃত্ত ছোট হতে শুরু করেছে, এমন সময় এক সাধু নাচের বৃত্ত থেকে বের হয়ে এসে পোড়ানো মৃতদেহ থেকে এক টুকরো মাংস ছিড়ে নিয়ে মুখে পুরে দিলেন!

চিৎকার করে লাফ দিয়ে উঠলেন গগনবাবু। “উঃ, কী দুঃস্বপ্নরে বাবা!” হোটেলের জানালার দিকে তাকিয়ে দেখলেন সূর্যমামা ডুবে গেছে। আকাশের রক্তিমাভা থাকতে থাকতেই বেরিয়ে পড়লেন সেই সাধুর সন্ধানে, পেয়েও গেলেন। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর সাধুর মুখ থেকে একটি বাক্যই তার কর্ণকুহরে প্রবেশ করল, “এবার কমের উপর দিয়ে গেল, পরেরবার সাবধান থাকিস!

লেখাটা যখন আঘোরী সাধুদের নিয়েই, তখন এরকম কিছু গল্প দিয়েই শুরু করা ভাল। এখন মনে প্রশ্ন হতে পারে আঘোরী কারা? উপরের গল্পের সাথে তাদের কি আদৌ কোনো মিল রয়েছে? লেখার শেষ পর্যন্ত যেতে যেতে আশা করি উত্তরটা পেয়ে যাবেন।

ভারতীয় জনগোষ্ঠীর উপর বেশ বড় রকমের প্রভাব রয়েছে এই আঘোরী সম্প্রদায়ের সাধুদের, বলা যায় ভারতকে চিহ্নিত করতে হলে যেসব চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তার একটা এই সাধুরা। বেনারাসসহ ভারতের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা এ সাধুদের লোকজন যেমন শ্রদ্ধা-ভক্তি করে, ঠিক তেমনভাবে তাদেরকে ভয় পাওয়া লোকসংখ্যাও কম নয়। আঘোরীদের সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে প্রথমেই জানতে হবে কীভাবে একজন আঘোরী সাধু হওয়া যায়। অন্যান্য সাধুদের থেকে আঘোরী সাধুরা অনেক দিক থেকেই আলাদা। সেগুলোই তুলে ধরা হল –

আঘোরীদের বিশ্বাস

আঘোরীরা মূলত দেবতা ‘শিব’-এর পূজারী। তারা বিশ্বাস করে শিবই সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা, ধ্বংসকারী এবং সবকিছুর পরিচালনাকারী। শিবের মহিলা রূপ মৃত্যুর দেবী ‘কাল ভৈরব বা মহাকালী’-এর উদ্দেশ্যই তারা প্রার্থনা করে এবং এ কারণেই তারা মৃত্যুভয়কে পিছনে রেখে আসে। আঘোরীদের মতে, “শিবই সবকিছু। হিন্দুধর্মের সব দেবতাই শিবের কোনো না কোনো রূপ। কিন্তু শিব তার সৃষ্টির কাছে যা দাবী করে তা প্রায় সব হিন্দু ধর্মাবলম্বীর কাছে অগ্রহণযোগ্য। তাই আঘোরীরা শিবকে সন্তুষ্ট করার দায়িত্ব নিয়েছে।”

আঘোরীদের বাসস্থান

কালো চুলের বিশাল জটাধারী আঘোরী সাধুদেরকে সহজেই চোখে পড়ে। ধ্যান করার জন্য সাধারণত তারা শ্মশানের মতো নির্জন জায়গাকেই বেছে নেয়। এছাড়াও হিমালয়ের ঠান্ডা গুহা, গুজরাটের নিষ্প্রাণ মরুভূমি এমনকি বাংলার ঘন জঙ্গলেও তাদের দেখা মেলে। তবে বেনারাস শিবের প্রিয় জায়গা হওয়ায় গঙ্গার তীরেই আঘোরী সাধুদের সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

আঘোরীদের পোষাক

আঘোরীদের জন্য চুল বা গোফ-দাড়ি কাটা নিষিদ্ধ। সাধারণত কালো পোষাক পরতে দেখা গেলেও অনেক সময় তাদেরকে দেখা যায় অর্ধনগ্ন অবস্থায়। শ্মশানে ধ্যান করার সময় তারা পোড়ানো মৃতদেহের ছাই সারা শরীরে মেখে তার উপরে বসেই ধ্যান করা শুরু করেন, এ সময় তাদের পরনে থাকে শুধুমাত্র একটি কৌপিন। এছাড়া রুদ্রাক্ষের মালা আর মানুষের খুলি তো গলায় রয়েছেই। এছাড়াও মাঝেমধ্যে তাদেরকে দেখা যায় সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায়, পার্থিব সবকিছু ঝেড়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তারা এটি করে থাকেন!

আঘোরীদের খাবার

অন্যান্য সাধুদের চেয়ে আঘোরীদের একটি বড় পার্থক্য হলো খাবার। অন্যান্য সাধুরা যেখানে নিরামিষাশী, সেখানে আঘোরীরা খেতে পারে যেকোন কিছুই। আবর্জনা থেকে শুরু করে মানুষের মাংস এমনকি মানুষের মলমূত্র পর্যন্তও তারা খায়! কারণ? কারণ তারা বিশ্বাস করে শিব সবচেয়ে খারাপের মধ্যেও বিদ্যমান।

আঘোরীদের মূলমন্ত্রই হচ্ছে নোংরামির মধ্যে বিশুদ্ধতাকে খুঁজে বের করা। তাছাড়া তারা বিশ্বাস করে মলমূত্র খাওয়া তাদের ভিতরের আত্মঅহমিকাকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। বেঁচে থাকার জন্য তারা যতটুকু দরকার ততটুকুই খায়, তাদের কাছে খাবারের স্বাদ বা চেহারা কোনো বিষয় নয়। তবে বেনারাসের মতো জনবহুল শহরেও কেউ তাদেরকে নরমাংস খেতে বাঁধা দেয় না, কারণ তাদের খাওয়ার জন্য শ্মশানের পোড়ানো মৃতদেহ রয়েছেই।

আঘোরীদের ধ্যান

ধ্যান করার জন্য আঘোরীরা বেছে নেয় শ্মশানকে। একেবারে মধ্যরাত থেকে তারা পোড়ানো মৃতদেহের উপর বসে ধ্যান শুরু করে। তারা বিশ্বাস করে এই সময়টিতে কোনো মানুষ বা কোনো আত্মা ঘোরাফেরা করে তাদের ধ্যানের মনোযোগ নষ্ট করতে পারবে না। এছাড়া তারা ধ্যান করার আগে খানিকটা গাঁজাও টেনে নেয় যাতে ধ্যানের মনোযোগ আরও সুদৃঢ় করতে পারে। এছাড়া তারা দাবী করে, গাঁজার ঘোর তাদেরকে আত্মা দেখতে সাহায্য করে! যদিও গাঁজা টানার পরেও তাদের চোখ থাকে শান্ত-নির্লিপ্ত।

আঘোরীদের ক্ষমতা

আঘোরীরা দাবী করে তাদের কাছে পৃথিবীর সব রোগেরই ঔষধ রয়েছে, যেগুলো ক্যান্সার এমনকি এইডসকেও সারিয়ে তুলতে পারে! তারা এগুলো পোড়ানো মৃতদেহগুলো থেকে সংগ্রহ করে এবং একে বলা হয় ‘মানুষের তেল’! তারা বিশ্বাস করে এগুলো দিয়ে সব রোগই সারিয়ে তোলা সম্ভব কিন্তু মানুষ এগুলো ব্যবহার করে না সামাজিক বাধার কারণে। যদিও বিজ্ঞান দিয়ে তাদের এই দাবীকে কখনো পরীক্ষা করে দেখা হয়নি।

আঘোরীদেরকে বলা হয় পৃথিবীর সেরা কালো জাদুকর। যদিও তারা দাবী করে, তারা এই ক্ষমতা কখনো মানুষের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে না, বরং মানুষের উপকার করে। কোনো অসুস্থ মানুষের রোগকে তারা কালো জাদুর সাহায্যে মৃতদেহে ঢুকিয়ে দেয় এবং মৃতদেহ পুড়িয়ে রোগটিকে ধ্বংস করে ফেলে!

আঘোরীদের মূলমন্ত্র – “নোংরামির মধ্যে বিশুদ্ধতা খোঁজা”

আঘোরীরা বিশ্বাস করে ডান বা ভাল পথের চেয়ে বাম বা খারাপ পথ দ্বারা দেবতার সান্নিধ্য পাওয়া যায় খুবই দ্রুত এবং এটি কার্যকরও হয় আরও গভীরভাবে। যদিও এভাবে সান্নিধ্য পাওয়ার মতো সাহস শুধু আঘোরীদেরই আছে। অমাবস্যার মধ্যরাতে তারা কালীকে খুশি করার জন্য মৃতদেহের সাথে মিলিত হয়! মেরোনাথ নামক এক আঘোরী সাধুর ভাষায়, “আমাদের এই কাজকর্ম বাইরের দুনিয়ায় অতি অস্বাভাবিক মনে হতে পারে, কিন্তু আমরা নোংরামির মধ্যে বিশুদ্ধতা পাওয়ার চেষ্টা করি। যদি কেউ মৃতদেহের সাথে মিলিত হবার সময়ও দেবতার উপর মনোযোগ রাখতে পারে তবে বুঝতে হবে সে সঠিক পথে রয়েছে।” এছাড়াও তারা বিশ্বাস করে, এর ফলে তাদের মধ্যে অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার সৃষ্টি হয়! মিলিত হবার সময় অন্যান্য সাধুরা বৃত্তাকারে ঘুরতে ঘুরতে মন্ত্র জপতে থাকে এবং শ্মশানে বাজতে থাকে ঢাকের বাজনা!

লেখার শুরুটা হয়েছিল গল্প দিয়ে, শেষটা করা যাক একটা বাস্তব ঘটনা দিয়ে।

আঘোরী সাধুদের মধ্যে বোধহয় সবচেয়ে বিখ্যাত ছিলেন তৈলঙ্গ স্বামী। যা-ই হোক, বেনারাস শহরের কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের এক পুরোহিত একদিন দেখতে পান তৈলঙ্গ স্বামী তার গোপনাঙ্গ দিয়ে শিবের পূজা করছে! দেখার সাথে সাথে তিনি তৈলঙ্গ স্বামীকে চড় মেরে তাকে মন্দির থেকে তাড়িয়ে দেন এবং পরের ঘটনা সহজেই অনুমেয়। পরদিন সকালেই পুরোহিত আকস্মিকভাবেই মারা যান কোনোরকম আঘাত বা বিষ প্রয়োগ ছাড়াই!

সবচেয়ে বিখ্যাত আঘোরী সাধু – “তৈলঙ্গ স্বামী”

 

তথ্যসূত্রঃ

১) en.wikipedia.org/wiki/Aghori

২)fireflydaily.com/skulls-sex-trance-the-dark-and-mysterious-world-of-aghoris/

৩) desinema.com/15-jaw-dropping-facts-about-aghoris/

৪) speakingtree.in/allslides/sex-rituals-of-aghori-sadhus

Benjamin Franklin wasn’t a natural talent.

Here’s how he taught himself to write

February 21, 2017

Benjamin Franklin may be the most prolific man in all of American history.

In his New York Times bestselling Benjamin Franklin: An American Life, Walter Isaacson writes of Franklin:

[He was] the most accomplished American of his age and the most influential in inventing the type of society America would become.

Franklin’s literal rags-to-riches story is jam-packed with insights on writing and a better life.

Born into poverty with 16 siblings, Franklin dropped out of school at age 10. How did Benjamin Franklin go from primary school dropout to the most accomplished American in all of history?

I wanted to find out.

In my own quest to teach myself how to write, I dug into Franklin’s autobiography. Guess what? He wasn’t born with it. By his late twenties, Franklin had become independently wealthy through his publications of the Pennsylvania Gazette and his famed Poor Richard’s Almanack.

Yet, as a teenager, Franklin was not good at writing. Determined to improve but with no teachers and no money, he decided to teach himself.

His autobiography tells exactly how he did it.

Most writing advice today sucks. It’s face-palm bad. Internet forums are infected with impractical advice like “just read more” or “keep trying kiddo!” Franklin’s advice, written almost 200 years ago, is the cure. He offers specific, actionable, and immediate steps you can use to start improving your writing today.

Let’s dig in.

1. Dissect and reconstruct

At age 16, Ben realized he’s bad at writing. His spelling and grammar were good, but: “I fell far short in elegance of expression, in method and in perspicuity…”

(“Perspicuity” means “clarity.” I didn’t know it either.)

Determined to improve, Ben dug into one of his favorite magazines, The Spectator:

I took some of the papers, and, making short hints of the sentiment in each sentence, laid them by a few days, and then, without looking at the book, try’d to compleat the papers again, by expressing each hinted sentiment at length, and as fully as it had been expressed before, in any suitable words that should come to hand. Then I compared my Spectator with the original, discovered some of my faults, and corrected them.

Wow, that’s some practical advice. Here it is in checklist format:

  • Find an example of good writing and jot short notes for each sentence.
  • Put the notes aside and come back in a few days.
  • Try to “rewrite” the piece in your own words, using just your notes.
  • Compare with the original and correct your faults.

2. Convert to poetry (and back again)

Next, Franklin tackled his mastery of the English vocabulary.

He used a technique that all master learners—be they soccer players, mathematicians, or Wall Street traders—understand. To accelerate learning, add artificial constraints. Lose your hands and you shall learn to type with your feet.

Franklin recognized writing poetry can accelerate his development as a writer:

But I found I wanted a stock of words, or a readiness in recollecting and using them, which I thought I should have acquired before that time if I had gone on making verses; since the continual occasion for words of the same import, but of different length, to suit the measure, or of different sound for the rhyme, would have laid me under a constant necessity of searching for variety, and also have tended to fix that variety in my mind, and make me master of it.

But not satisfied with just an idea (something I always stress here), he makes it into an actionable exercise:

Therefore I took some of the tales and turned them into verse; and, after a time, when I had pretty well forgotten the prose, turned them back again.

Here it is again:

  • Take your prose and convert it to poetry.
  • Wait a few days.
  • Convert your poetry back into prose.

Repeat regularly (and vary the limitations) to see impressive gains in writing ability.

3. Understand structure

Now proficient in crafting sentences and selecting words, Franklin turns to the overall structure of his writing:

I also sometimes jumbled my collections of hints into confusion, and after some weeks endeavored to reduce them into the best order, before I began to form the full sentences and compleat the paper. This was to teach me method in the arrangement of thoughts.

Again, in bite-sized instructions:

  • Take your notes from exercise number one and jumble them up.
  • Wait a few weeks.
  • Reassemble the sentences as best as you can.
  • Get feedback by comparing to the original.

This exercise teaches writers to see and understand structure and how to create it, forcing them to constantly train and stretch the mental muscle responsible for organizing thoughts on the page.

4. The secret sauce

That’s plenty to work on already, but there’s one last ingredient to the Benjamin Franklin’s success formula.

Franklin’s secret sauce:

My time for these exercises and for reading was at night, after work or before it began in the morning, or on Sundays, when I contrived to be in the printing-house alone, evading as much as I could the common attendance on public worship…

Franklin would surely tell you this: all his advice is useless without the secret sauce.

And the secret sauce is obsession. An obsession with what he loved to write and loved to read, and an obsession with his goal to improve each and every day of his life.

FlashBack Of Dhaka

লালবাগ কেল্লাঃ

লালবাগ কেল্লা মোঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম নিদর্শন। এটা যতটা না সামরিক কাজে ব্যবহৃত হত তার চেয়ে বেশি ব্যবহৃত হত মোঘল নবাবদের বাগানবাড়ি বা অবকাশযাপনকেন্দ্র হিসেবে। ১৬৭৮ সালে সুলতান মোহাম্মদ আজমের শাসনামলে সুবেদার শায়েস্তা খাঁর তত্ত্বাবধানে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কথিত আছে যে, ১৬৮৪ সালে সুবেদার শায়েস্তা খাঁর আদরের কন্যা ইরান-দুখত (পরীবিবি) এর মৃত্যুতে খাঁ প্রচন্ড কষ্ট পান এবং অবিলম্বে এই দুর্গের নির্মাণ বন্ধ করে দেন এবং এর অভ্যন্তরে তিনি পরীবিবির কবর স্থাপন করেন যা পরীবিবির মাজার নামে পরিচিত।

1814_Lalbagh_Fort_paiting_by_DOyly

Lalbagh-Fort-Dhaka-1875-690x517

poribibir majar

lalbag kella 2016

Lalbag_Fort_Pari_Bibi

রমনা পার্কঃ

পহেলা বৈশাখ মানেই পান্তা ইলিশ আর রমনার বটমূলে বসে বৈশাখী গান শোনা, মাটির  পুতুল, কাঁচের চুডির রুমুঝুম। আবার বই মেলা হলে রমনার প্রাঙ্গণ সারা দেশের মানুষের বই তৃষ্ণা মেটায়। কেমন ছিল এখনকার এই সুশোভিত আনন্দউদ্যানটি?

romna gate

চক বাজারঃ

পুরান ঢাকার ইফতারি মানে চক বাজারের ইফতারি। পুরো রমজানে একবার হলেও চক বাজারে ঢুঁ মেরে আসতে হয় নগরবাসীর। হরেক রকমের লোভনীয় খাবারের আখড়া এই চক বাজার। কিন্তু এই চক বাজারেই এক সময় ক্রীতদাস কেনা বেচা হত। মোঘল আমলে  এটা ছিল দাস ব্যবসা  এবং লোকজনের আড্ডার কেন্দবিন্দু।

chawk bajar

ঢাকা কলেজঃ

অনেক ইতিহাসে সাক্ষী এই ঢাকা কলেজ। ১৮৪১ সালে উপমহাদেশের প্রথম আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এই ঢাকা কলেজ। হিন্দু কলেজের শিক্ষক এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জে. আয়ারল্যান্ড ঢাকা কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ। বর্তমানে ঢাকা কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সঙ্গে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ১৯টি বিষয়ে শিক্ষাদান কার্যক্রম চালু রয়েছে। ছাত্রদের জন্য ঢাকা কলেজে সাতটি ছাত্রাবাস আছে।

dhaka college 1904

dhaka college 1872

ঢাকেশ্বরী মন্দিরঃ

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নির্মাণশৈলী দেখে ধারণা করা হয় যে এটা পূর্বে একটি বৌদ্ধ মন্দির ছিল। পরবর্তীতে যা রুপান্তরিত হয় হিন্দু মন্দিরে। উনিশ শতকের শেষের দিকে মন্দিরটি সম্পূর্ণ জঙ্গলাকীর্ণ ছিল এবং রক্ষণবেক্ষন ও উপাসনার জন্য কোন পুরোহিত ছিল না।

মিটফোর্ড হসপিটাল (সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ)

১৮২০ সালে ঢাকা কালেক্টর স্যার রবার্ট মিটফোর্ড বুড়িগঙ্গার তীরে এই হাসপাতালটি তৈরির উদ্যোগ নেন। ঢাকায় কলেরার ব্যাপক মহামারী দেখে তিনি অত্যন্ত ব্যাথিত হন এবং এই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। মুলত ১৯৬২ সালে এটি মেডিকেল কলেজের রুপ নেয় এবং ঢাকার নবাবদের দানশীলতার প্রতি সম্মান জানিয়ে পরবর্তীতে এর নাম “স্যার সলিমুল্লাহ মেডকেল কলেজ” রাখা হয়।

sir salimullah medicalold picture of tejgaon

old tejgaon                                                        তেজগাঁও এলাকা, ১৮৮০ (pinterest.com)

 

dholai khal steel bridge

সেইন্ট থমাস চার্চঃ

প্রায় ২০০ বছর আগের পুরোন এই চার্চ পুরান ঢাকার অন্যতম নিদর্শন। ১৮৬৩ সালে বিখ্যাত ঘড়ি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান “বিগ বেন” এর একটি ঘড়ি এই চার্চের চূড়ায় স্থাপন করা হয় যাতে পুরান ঢাকাবাসী এই ঘড়ি দেখতে পায়।  এরকম ঘড়ি এই মুহূর্তে পৃথিবীতে মাত্র দুটি আছে। অপরটি লন্ডনের হাউস অব পার্লামেন্ট এর চুড়ায় অবস্থিত।

old-dhaka-old-times-in-bangladesh-19-638-632x474

নারিন্দা খ্রিষ্টীয় কবরস্থানঃ

সম্ভবত সতেরো শতকের প্রথম দিকে এই কবরস্থানটি গড়ে উঠে। এর সবচেয়ে পুরাতন এপিটাফটি ১৭২৫ সালের। কারণ তখন থেকেই ঢাকায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটেছিল। এখানে খ্রিষ্ট সম্প্রদায়ের জন্য এই সমাধিভূমির পাশেই ঢাকার প্রথম গির্জা প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর অবস্থান ওয়ারীতে বলধা গার্ডেনের বিপরীতে রাস্তার ওপারে।

narinda graveyard

Christian-Cemetery-at-Narinda.-Dhaka-1875-300x231

tongi bridge

unknown plce of pld dhaka

purana polton

chandni chawk

তথ্যসুত্রঃ

  1. shilpaoshilpi.com
  2. sundaybd.com
  3. somewhereinblog.net
  4. jagonews24.com
  5. anupamcommunity.com
  6. rajuport.typepad.com
  7. amarbinodon.com

Method of tea-leaf reading

 

 

An example of a tea leaf reading showing a dog and a bird on the side of the cup.

The Encyclopedia of Occultism & Parapsychology, Fifth Edition, Vol. 2, edited by J. Gordon Melton, notes:

After a cup of tea has been poured, without using a tea strainer, the tea is drunk or poured away. The cup should then be shaken well and any remaining liquid drained off in the saucer. The diviner now looks at the pattern of tea leaves in the cup and allows the imagination to play around [with] the shapes suggested by them. They might look like a letter, a heart shape, or a ring. These shapes are then interpreted intuitively or by means of a fairly standard system of symbolism, such as: snake (enmity or falsehood), spade (good fortune through industry), mountain (journey of hindrance), or house (change, success).

Melton’s described methods of pouring away the tea and shaking the cup are rarely seen; most readers ask the querent to drink the tea off, then swirl the cup.

It is traditional to read a cup from the present to the future by starting along the rim at the handle of the cup and following the symbols downward in a spiral manner, until the bottom is reached, which symbolizes the far future. Most readers see images only in the dark tea leaves against a white or neutral background; some will also read the reverse images formed by seeing the symbols that form in the white negative spaces, with a clump of dark leaves forming the background.

Some people[who?] consider it ill-advised for one to attempt tasseography using tea from a cut-open tea bag or to use a symbol dictionary. The reasons for these prohibitions are practical: tea-bag tea is cut too finely to form recognizable figures in the cup and tea-leaf reading has its own historic system of symbolism that does not correspond exactly with other systems, such as symbolic dream divination.

Fortune telling tea cups

 

Zodiac cup and saucer with zodiac signs and shamrock

Although many people prefer a simple white cup for tea leaf reading, there are also traditions concerning the positional placement of the leaves in the cup, and some find it easier to work with marked cups. Beginning in the late 19th century and continuing to the present, English and American potteries have produced specially decorated cup and saucer sets for the use of tea-leaf readers. Many of these designs are patented and come with instructions explaining their mode of use. Some of the most common were those that were given away with purchases of bulk tea.[citation needed]

There are dozens of individual designs of fortune tellers’ cups, but the three most common types are zodiac cups, playing card cups, and symbol cups.

Three most common types of fortune tellers’ cups

Type Definition
Zodiac cups These sets contain zodiacal and planetary symbols. Typically the interior of the cup contains the planetary symbols, while the saucer has the astrological sign symbols, but there are many variations and exceptions to this common pattern. The placement of these symbols allows the reader to combine astrology with tasseography.[citation needed]
Playing card cups These cups carry within their interiors tiny images of a deck of scattered cards, either 52 cards plus a joker, as in a poker deck, or 32 cards, as in a euchre deck. Some sets also have a few cards imprinted on the saucers, or the saucers may contain brief written card interpretations. The playing cards permit the reader to creatively relate cartomancy to tasseography.[citation needed]
Symbol cups These sets are decorated with between a dozen and fifty of the most common visual cues that can be found in tea leaves, often numbered for easy reference and supplied with an explanatory booklet. The symbols are generally displayed inside the cups, but there are also sets in which they decorate the outside or appear in the cups and on the saucers.[citation needed]

Coffee reading

Coffee tasseography is called καφεμαντεία in Greek, гледање у шољу in Serbian, and kahve falı in Turkish. Traditionally, coffee readers use Turkish coffee or any method of coffee brewing that leaves grounds sitting at the bottom of the cup. Most of the coffee in the cup is consumed, but the sediments are left to settle. It is often believed that the querent should not read his or her own cup.[citation needed]

There are several variations of coffee reading. They commonly require for the cup to be covered with the saucer and turned upside-down. In the Turkish tradition, coffee-readers often interpret the cup as being divided into horizontal halves: symbols appearing on the bottom half are interpreted as messages regarding the past, and symbols on the top half are messages regarding the future. The cup may also be interpreted in vertical halves to determine “yes” or “no” answers as well as the overall outcome of the events represented by symbols. For example, some fortune tellers may “read” symbols in the “left” half as “negative” events or outcomes, while symbols in the “right” half are “read” as “positive”. Other readers may adhere to the belief that the cup is capable of revealing insights about the past, but it cannot predict events beyond forty days into the future. The saucer may also be incorporated into the reading. As with the cup, different variations exist for what the saucer represents, including whether the saucer sticking to the cup indicates a “positive” or “negative” outcome.[2]

Some Romanian methods require that the sediments be swirled around the until they cover the majority of the cup’s inside surface. Other traditions, such as Turkish and Middle Eastern, do not require this swirling but do require that the cup be turned towards the querent in revealing the fortune. The coffee grounds are given time to dry against the cup before a reading begins.[citation needed]

After a reading, the querent will be asked to “open the heart”. This is done by placing the right thumb at the inside bottom of the cup and twisting clockwise slightly. This will leave an impression behind that the fortune teller will interpret as the querent’s inner thoughts or emotions.[citation needed]

In 2007, a coffee-reading fortune teller from Israel was charged with practicing magic, a crime punishable by up to five years in jail. The fortune teller in question was acquitted of the charges after the Israeli government deemed it too hard to prove she was knowingly “faking it”.[3]

Symbols

Many interpretations for symbols exist, but readers commonly focus on the color of the symbols. Since most cups used are white or ivory and the grounds are dark, symbols are formed from the strong, contrasting colors. White is considered a “good” symbol foretelling of generally positive things for the querent, while the grounds themselves are considered to form “bad” symbols.[citation needed]

Symbols can be many things, including people, animals, and inanimate objects. Usually, the fortune teller will group nearby symbols together for a prediction.[citation needed]

Notes

  1. Jump up^ Guiley, Rosemary. “tasseomancy.” The encyclopedia of witches, witchcraft, and wicca. 3rd ed. N.p.: Infobase Publishing, 2008. 341. Print.
  2. Jump up^ “Your Future in a Cup of Coffee”. Turkish Cultural Foundation. 2011. Web.
  3. Jump up^ McClatchy DC: Coffee grounds brewed trouble for Israeli fortuneteller

References

  • Fenton, Sasha Tea Cup Reading: A Quick and Easy Guide to Tasseography. Red Wheel / Weiser, 2002
  • Fontana, Marjorie A. Cup of Fortune: A Guide to Tea Leaf Reading. Wis.: Fantastic, 1979.
  • Kent, Cicely. Telling Fortunes By Tea Leaves. 1922
  • Posey, Sandra Mizumoto. Cafe Nation: Coffee Folklore, Magick, and Divination. Santa Monica: Santa Monica Press, 2000.
  • Sheridan, Jo. Teacup Fortune-telling. London: Mayflower, 1978
  • Yaman, Beytullah. The Art of Turkish Coffee Brewing. Ankara: Bilkent University Press, 1987

The Arrest

Anne Frank starts writing in her diary on her 13th birthday and also writes tales during the hiding period.

Anne Frank starts writing in her diary on her 13th birthday. She has no truly close friends to confide in, so in her diary she writes detailed letters to an imaginary girlfriend named Kitty.

Anne writes:

“I know I can write. A few of my stories are good, my descriptions of the Secret Annex are humorous, much of my diary is vivid and alive, but… it remains to be seen whether I really have talent.”

Anne Frank’s diary is published

Otto reads in Anne’s diary that she intended to publish a book after the war about her time in the secret annexe.

More…

Reactions to the diary

Otto received many letters after the publication of Anne’s diary.

More…

Online store

Buy the diary, other books, DVDs, museum catalogues and postcards!

To the online store

The last time she commits her feelings to paper is on August 1, 1944. Two years have passed and much has changed in her life. Those first few weeks after her birthday were “normal”: she went to school, worried about her report card, gossiped about her classmates… But by July 6 she has gone into hiding and is living in the Secret Annex with her parents and sister. A week later the Van Pels family arrives, and Fritz Pfeffer joins them all in November 1942.

A page from Anne’s diary

The long letters addressed to Kitty, the name she gave to her diary, are part of Anne’s diary from the very beginning. The diary becomes even more imporant to Anne during the hiding period, because she can entrust it with her innermost thoughts. On March 16, 1944, she realizes: The nicest part is being able to write down all my thoughts and feelings, otherwise I’d absolutely suffocate.”

 

During the hiding period, Anne does not only write in her diary. She also writes short stories. “A few weeks ago I started writing a story, something I made up from beginning to end, and I’ve enjoyed it so much that the products of my pen are piling up.” Some of her “Tales” she reads aloud to the people in hiding.

“Tales” book The table of contents of Anne’s ‘Tales” book, an account book in which she wrote short stories.

Besides her diary and the stories, Anne also writes her “favorite quotes” in a separate notebook. If she reads a sentence in a book and it makes an impression on her, she then copies it into that notebook. She gets the idea for doing this from her father. Sometimes, she reflects further about one of these “favorite quotes” by writing about it in her diary.

The Great Depression

 

The Great Depression (1929-39) was the deepest and longest-lasting economic downturn in the history of the Western industrialized world. In the United States, the Great Depression began soon after the stock market crash of October 1929, which sent Wall Street into a panic and wiped out millions of investors. Over the next several years, consumer spending and investment dropped, causing steep declines in industrial output and rising levels of unemployment as failing companies laid off workers. By 1933, when the Great Depression reached its nadir, some 13 to 15 million Americans were unemployed and nearly half of the country’s banks had failed. Though the relief and reform measures put into place by President Franklin D. Roosevelt helped lessen the worst effects of the Great Depression in the 1930s, the economy would not fully turn around until after 1939, when World War II kicked American industry into high gear.

The American economy entered an ordinary recession during the summer of 1929, as consumer spending dropped and unsold goods began to pile up, slowing production. At the same time, stock prices continued to rise, and by the fall of that year had reached levels that could not be justified by anticipated future earnings. On October 24, 1929, the stock market bubble finally burst, as investors began dumping shares en masse. A record 12.9 million shares were traded that day, known as “Black Thursday.” Five days later, on “Black Tuesday” some 16 million shares were traded after another wave of panic swept Wall Street. Millions of shares ended up worthless, and those investors who had bought stocks “on margin” (with borrowed money) were wiped out completely.As consumer confidence vanished in the wake of the stock market crash, the downturn in spending and investment led factories and other businesses to slow down production and construction and begin firing their workers. For those who were lucky enough to remain employed, wages fell and buying power decreased. Many Americans forced to buy on credit fell into debt, and the number of foreclosures and repossessions climbed steadily. The adherence to the gold standard, which joined countries around the world in a fixed currency exchange, helped spread the Depression from the United States throughout the world, especially in Europe.
Despite assurances from President Herbert Hoover and other leaders that the crisis would run its course, matters continued to get worse over the next three years. By 1930, 4 million Americans looking for work could not find it; that number had risen to 6 million in 1931. Meanwhile, the country’s industrial production had dropped by half. Bread lines, soup kitchens and rising numbers of homeless people became more and more common in America’s towns and cities. Farmers (who had been struggling with their own economic depression for much of the 1920s due to drought and falling food prices) couldn’t afford to harvest their crops, and were forced to leave them rotting in the fields while people elsewhere starved.In the fall of 1930, the first of four waves of banking panics began, as large numbers of investors lost confidence in the solvency of their banks and demanded deposits in cash, forcing banks to liquidate loans in order to supplement their insufficient cash reserves on hand. Bank runs swept the United States again in the spring and fall of 1931 and the fall of 1932, and by early 1933 thousands of banks had closed their doors. In the face of this dire situation, Hoover’s administration tried supporting failing banks and other institutions with government loans; the idea was that the banks in turn would loan to businesses, which would be able to hire back their employees.
Hoover, a Republican who had formerly served as U.S. secretary of commerce, believed that government should not directly intervene in the economy, and that it did not have the responsibility to create jobs or provide economic relief for its citizens. In 1932, however, with the country mired in the depths of the Great Depression and some 13-15 million people (or more than 20 percent of the U.S. population at the time) unemployed, Democrat Franklin D. Roosevelt won an overwhelming victory in the presidential election. By Inauguration Day (March 4, 1933), every U.S. state had ordered all remaining banks to close at the end of the fourth wave of banking panics, and the U.S. Treasury didn’t have enough cash to pay all government workers. Nonetheless, FDR (as he was known) projected a calm energy and optimism, famously declaring that “the only thing we have to fear is fear itself.”Roosevelt took immediate action to address the country’s economic woes, first announcing a four-day “bank holiday” during which all banks would close so that Congress could pass reform legislation and reopen those banks determined to be sound. He also began addressing the public directly over the radio in a series of talks, and these so-called “fireside chats” went a long way towards restoring public confidence. During Roosevelt’s first 100 days in office, his administration passed legislation that aimed to stabilize industrial and agricultural production, create jobs and stimulate recovery. In addition, Roosevelt sought to reform the financial system, creating the Federal Deposit Insurance Corporation (FDIC) to protect depositors’ accounts and the Securities and Exchange Commission (SEC) to regulate the stock market and prevent abuses of the kind that led to the 1929 crash.

Among the programs and institutions of the New Deal that aided in recovery from the Great Depression were the Tennessee Valley Authority (TVA), which built dams and hydroelectric projects to control flooding and provide electric power to the impoverished Tennessee Valley region of the South, and the Works Project Administration (WPA), a permanent jobs program that employed 8.5 million people from 1935 to 1943. After showing early signs of recovery beginning in the spring of 1933, the economy continued to improve throughout the next three years, during which real GDP (adjusted for inflation) grew at an average rate of 9 percent per year. A sharp recession hit in 1937, caused in part by the Federal Reserve’s decision to increase its requirements for money in reserve. Though the economy began improving again in 1938, this second severe contraction reversed many of the gains in production and employment and prolonged the effects of the Great Depression through the end of the decade.

Depression-era hardships had fueled the rise of extremist political movements in various European countries, most notably that of Adolf Hitler’s Nazi regime in Germany. German aggression led war to break out in Europe in 1939, and the WPA turned its attention to strengthening the military infrastructure of the United States, even as the country maintained its neutrality. With Roosevelt’s decision to support Britain and France in the struggle against Germany and the other Axis Powers, defense manufacturing geared up, producing more and more private sector jobs. The Japanese attack on Pearl Harbor in December 1941 led to an American declaration of war, and the nation’s factories went back in full production mode. This expanding industrial production, as well as widespread conscription beginning in 1942, reduced the unemployment rate to below its pre-Depression level.

When the Great Depression began, the United States was the only industrialized country in the world without some form of unemployment insurance or social security. In 1935, Congress passed the Social Security Act, which for the first time provided Americans with unemployment, disability and pensions for old age.

Serial Killers | John Wayne Gacy – Killer Clown

John Gacy with Rosalynn Carter

This image to the left is of John Wayne Gacy, pictured here with Rosalynn Carter in 1978. Just looking at this photo one cannot begin to believe that this could be the same John Gacy who had already killed over 30 men before this photo was taken. In fact Rosalynn Carter who was the first lady at the time of this photograph even signed the picture “To John Gacy. Best Wishes Rosalynn Carter” and it gets better.
In this picture Gacy is wearing an “S” Pin. These are given to people who have been given special clearance by The United States Secret Service . As you can imagine they were a little embarrassed after it was discovered what Gacy really was.
John Wayne Gacy got the nick name “The Killer Clown” because he used to entertain local children in a clown suit. He used the name Pogo The Clown, but this clown was not all he seemed. The murders started in 1972 and continued up to 1978.

Gacy was married to Marlynn Myers in 1964 and her parents purchased a Kentucky Fried Chicken (KFC) Franchise. Gacy became the manager of one of the outlets. Gacy was named outstanding Vice President of the Jaycees in 1967. It was around this time that Gacy started up a club in his basement, and used to invite young boys around, feed them up on alcohol and come onto them. By the end of 1968 Gacy had been arrested and convicted of Sodomy and was sentenced to 10 years in the Iowa State Penitentiary. [So much for the model citizen!]

His wife filed for divorce and he was paroled in 1970 after serving only 18 months. [Guess he was a model prisoner] In 1971 with some financial help from his mother Gacy purchased a house in Chicago. Under the floor of this house was a crawl space, four feet deep. Gacy kept trying to get it on with young boys, and was taken to court on two occasions in 1971 and 1972, for disorderly conduct and battery. Both times charges were dropped by Chicago Police. In June 1972 Gacy remarried.

Carole Hoff was an old teenage friend of Gacy’s and she and her two daughters moved in with Gacy. In 1975 Gacy started his own business, a construction company and around the same time his second marriage was on the rocks, after the couples sex life came to a halt and Carole found wallets with Young Men’s I.D’s in the house. Gacy was also bringing home Gay Porn. Needless to say the marriage was over, and they divorced in 1976.

It was from this point on, that the killing really increased. In 1977 a 19 year old man laid a complaint with Chicago Police, that Gacy had kidnapped him at gunpoint and forced him into sex and again Chicago Police took no action. In March 1978 Gacy lured another young man into his car and chloroformed him, then took him back to his house where he raped and tortured him then dumped him in a park. Police could not find the offender, but the young man remembered a black Oldsmobile, the Kennedy Expressway and some side streets. The victim did some detective work of his own and staked out the exit on the Kennedy Expressway. He saw the Oldsmobile and followed it to Gacy’s home. Police issued a warrant and arrested Gacy on July 15th.

As Gacy was awaiting trial for battery charges relating to this event a 15 year old boy disappeared from a Des Plaines Pharmacy where he worked on December the 11th 1978. He told a fellow employee he was going down the street to see some guy about a construction job. Gacy had been at the Pharmacy earlier, but denied this and talking to the boy, when police called the next day. But unlike the Chicago police force the Des Plaines police checked Gacy’s record and discovered he had been in prison for Sodomy.

Detectives searched Gacy’s home on December the 13th and found some really suspect stuff. Drivers Licences for other people, a 1975 high school class ring, some handcuffs, clothing too small for Gacy, a syringe, and a piece of two by four with holes drilled in the ends, and a receipt from the Pharmacy where the 15 year old had gone missing. They also smelt a foul odour coming from the crawlspace under the house. The ring was traced to John Szyc who disappeared in January 1977.

On December the 21st 1978, one of Gacy’s employees told police that Gacy had confessed to more then 30 murders. Police issued a second search warrant and returned to Gacy’s home. This time they searched the crawl space and found human bones. Gacy was informed he was to face murder charges and told investigators he was responsible for some 25 to 30 murders. He even drew them a diagram of the crawl space showing where the bodies were buried. Gacy then told how he would pick up male prostitutes and male teenage runaways then take them back to his house. Then he would handcuff them, and stuff clothing in their mouths, so their screams couldn’t be heard. Then he would choke them and sexually assault them. Gacy like Ted Bundy would keep the bodies, until they decomposed.

For 4 months they pulled human remains out of his crawlspace, and a total of 29 bodies were found in the crawlspace and his property. [He ran out of room in the crawlspace, so he buried them outside] The youngest victims were 14 years old. Gacy’s trial began in Chicago, on February the 6th 1980. He plead not guilty by reason of insanity. Gacy even claimed the deaths were accidental as part of erotic asphyxia, but of course he had already confessed. He even joked that the only thing he was guilty of was running a cemetery without a license. [Funny Guy!] He was found guilty on March the 13th and sentenced to death.

On May 10th 1994, Gacy was put to death by lethal injection at the Stateville Correctional Center. His last meal: One dozen deep fried shrimp, a bucket of original recipe chicken from [You guessed it] KFC and a pound of fresh strawberries and french fries. John Wayne Gacy’s last words “Kiss My Ass” His brain was removed after his execution and is in the possession of Dr Helen Morrison. Wonder if she keeps it on the mantelpiece……Read More On John Gacy

John Wayne Gacy Movies


Gacy “Gacy” 2003
The most prolific serial killer in American history, John Wayne Gacy (Mark Holton) kept his secret by appearing as a model citizen in his suburban Chicago neighborhood–even going so far as to volunteer as a clown at a local hospital. But as other side became known, a nation watched in horror as 30 brutal murders were traced back to Gacy, and the bodies were discovered in the crawlspace under his home. GACY is a disturbing account of the sickening deeds of this real life monster.

Serial Killers | Ivan Milat – Backpacker Murders

Ivan Milat The Backpacker MurdererIvan Robert Marko Milat, better known as the backpacker murderer. The “Backpacker Murders” occurred in New South Wales Australia in the 90’s. Seven bodies were found, partly buried in the Belanglo State Forest. Five of these victims were international tourists, and two were young Australian backpackers from Melbourne. The scenario was similar for all victims. Ivan would pick them up as they hitchhiked, befriend them, then he would shoot or stab them.
The first two bodies were found in September 1992 in the state forest. One victim had been stabbed 9 times and the other had been shot several times in the head. These victims were two British girls who had been missing from Sydney in April 1992. Police searched for further bodies but found none and ruled out the possibility of finding any more. October 1993 in a remote part of the forest and a local discovers a human skull and thigh bone. This time they had discovered two bodies belonging to a young Australian couple who had been missing since 1989. The police were puzzled to find the bodies in the forest as one of the victims backpack and camera, had been found 100 kilometres to the north at an earlier date.

On November the 1st 1993 another skull was found in the forest. The victim was a young German Traveller and she was last seen hitchhiking in January of 1991. There was also clothing found at this scene that did not belong to her. These items belonged to another German couple who had been missing since Christmas 1991. Their bodies were discovered in the area on November the 3rd 1993 in shallow graves 55 metres apart. They had been shot and stabbed. It appears that Ivan Milat had spent some time with the victims before, and after the killings, as campsites were discovered close to the location of each body. Shell casings from the same gun were also found at each site.

As mentioned earlier, all victims were shot and stabbed, but one victim was decapitated and others showed signs of being strangled and severely beaten. On the 13th of November 1993 police received a call from Britain. The call was from Paul Onions, who had been backpacking in Australia in January 1990. He was offered a ride by a man who called himself “Bill”. As they headed south from Sydney, Bill pulled a gun on Paul Onions. Paul managed to escape and flagged down Joanne Berry who took him to local police, where he reported the assault. They never found his attacker and Paul returned to Britain.

After the story about the backpacker murders broke in Britain, Paul felt that his attacker could be the killer [hence why he phoned the Australian police] Joanne Berry backed up Paul’s story and a girlfriend of a man, who worked with Ivan Milat, felt that he should be investigated over the murders. So the police put Milat at the top of their suspect list.

They did some background checks and found that Milat had been charged with abduction and rape in 1971 [Although charges were later dropped] They also found out that Ivan and his brother worked on road gangs on the highways were the victims had gone missing. Ivan also owned a property in the Belanglo area. Paul Onions was flown to Australia on the 5th of May 1994 and identified Ivan Milat as the man who tried to tie him up and shoot him. On the 22nd of May 50 police officers surrounded Milat’s home and arrested him.

They found cameras, clothing and camping equipment belonging to the victims, plus parts of a 22 calibre rifle, which matched the type used in the murders. Milat was in court the next day on weapons and robbery charges. He did not enter a plea. He was charged with the murders on the 30th of May 1994. It was not until March 1996 that his trial began. The jury found him guilty on the 27th of July 1996. He was charged with Paul Onions assault and also the 7 murders. He received 7 life sentences plus 18 years.

On his first day in prison he was beaten by another inmate. He has made a few appeals [All denied] and is currently serving time at the maximum security super prison in Goulbourn, New South Wales. In January 2009 Milat cut off his little finger with a plastic knife. He wanted to mail it to the High Court. [Don’t ask me why???] He was taken to hospital, but they could not re-attach it. He has also swallowed razor blades, staples and other metal objects since he has been in prison. It has not been proven and no-one really knows but some say he may have killed up to 30 people….. Read More On Ivan Milat

Ivan Milat Movies

WOLF CREEK is a grim and disturbing horror film, based on actual events in the TEXAS CHAINSAW MASSACRE vein. It’s also beautifully shot, with director Greg McLean (in his feature film debut) making the otherworldly majesty of Australia’s outback emerge as a part of the story. Cassandra Magrath and Kesti Morassi play the two young British girls traveling with their Aussie friend, Ben (Nathan Phillips), to Wolf Creek, the remote location of a giant meteor crater. When their car breaks down, a jovial, Crocodile Dundee-type named John Jarrett (Mick Taylor) offers to tow them to his even more remote auto camp. What happens next ensures, among other things, that surviving audience members will never think of Crocodile Dundee in quite the same happy way again. In addition to McLean’s painterly use of scenery in establishing mood, the film benefits from the slow, methodical buildup of character detail; the actors are given space to develop a believable rapport, something all too rare in this kind of film. The characters are people, not stock slasher-film types, and this makes the ensuing scenes of cruelty and violence all the more unbearable. Some viewers may find it all too excessive and disturbing, but there should be no doubt that this is one carefully crafted, genuinely scary horror film, and a promising start for a fresh new filmmaking talent.

Serial Killers | Jeffrey Dahmer

Jeffrey Dahmer Mugshot
Jeffrey Lionel Dahmer. One of America’s more gruesome serial killers. Seems Jeffrey lead a normal childhood, but in his teens started to develop a morbid interest with dead things. Jeffery would often bike around his neighbourhood looking for dead animals to take home and dissect. By the time of his graduation Jeffrey was an alcoholic. In 1977 Jeffery’s parents divorced and Jeffrey lived with his father. On June the 6th 1978 Jeffrey picked up a hitchhiker named Stephen Hicks. He took him home, had sex with him then bludgeoned him to death with a barbell. Jeffrey buried the body in his fathers backyard.

Around this time Jeffrey was attending the Ohio State University but he dropped out after one quarter, failing to turn up to most of his classes. Jeffrey’s father then made him enlist in the army and he seemed to do well there, but after two years he was discharged because of his drinking problem. After being discharged he continued to drink heavily and was arrested for drunk and disorderly behaviour in 1981.


In 1982 Jeffrey moved in with his grandmother in Wisconsin and lived with her for 6 years. It was during this period that his behaviour got stranger and stranger. Granny found a fully dressed male mannequin in his closet and she also found a 357 Magnum under his bed. There was also strange smells coming from the basement. Jeffrey was arrested in 1982 and 1986 for indecent exposure. The latter of these arrests was for masturbating in front of two boys. Jeffrey killed again in September 1987 and again in January and March 1988. These victims he found at gay bars and after he had sex with them, he would kill them.
On September 26th 1988 Jeffrey was arrested for drugging and sexually fondling a 13 year old boy named Somsack Sinthasomphone. He received 5 years probation and one years work in a work release camp. He was also required to register as a sex offender. Jeffrey got parole from the camp early and it wasn’t long after that in May 1990 he moved into the infamous apartment at 213, 924 North 25th Street, Milwaukee. It was here that he picked up his murdering pace. 4 Murders by the end of 1990. Another in February 1991, then another in April 1991.


He killed again on May 24th 1991 and it was at this point he begin to kill nearly once a week. But it was the murder at the end of May 1991, where things nearly went wrong for Jeffrey. The victim was 14-year-old Konerak Sinthasomphone [Yes you do recognise the name. It is the brother of the boy Dahmer had molested] He was found wandering the streets in the early hours of the morning, naked, drugged and bleeding from the rectum. He was found by two woman, who then called 911. Jeffrey told police when they arrived that Konerak was his 19 year old boyfriend and they had been having a lovers argument. The police let Jeffrey take Konerak , even though the two women did protest.
The police had in fact entered Jeffrey’s apartment and noticed a strange smell. Seems they did not investigate any further. If they had of, they would have found the body of Jeffrey’s previous victim Anthony Hughes, decomposing in the bedroom. They also failed to run a background check. Had they done this, they would have discovered that Jeffrey was still on probation and was convicted for molestation and sex offending. Later that night Jeffrey killed and dismembered Konerak Sinthasomphone.
At the end of June 1991 Dahmer was killing at least once a week. He killed Matt Turner on June 30, Jeremiah Weinberger on July 5, Oliver Lacy on July 12, and finally Joseph Brandehoft on July 18. Then on July 22nd he had another victim in his apartment by the name of Tracy Edwards. Edwards claimed that he struggled with Dahmer, as he was being handcuffed. Jeffrey had failed to handcuff him properly and forced Edwards into a bedroom with a big knife. Edwards saw photographs of mutilated bodies and smelt a foul odour coming from a big blue barrel in the room. Edwards managed to punch and kick Jeffrey escaping onto the street. He managed to wave down police and led them back to Dahmer’s apartment.
Jeffrey was civil to the police, but they found the bedroom with the photos and arrested Jeffrey. One of the arresting officers then opened the refrigerator and found a severed head. Upon searching the apartment further, police found 3 more heads, severed hands and penises. Seven skulls were also found, plus a human heart in the freezer and several corpses in acid filled vats. It seems Jeffrey had developed a notion he could turn his victims into zombies by drilling holes in their skulls and injecting hydrochloric acid into their brains.


Jeffrey Dahmer was charged with 15 murders and his trial began on January 30th 1992. Jeffrey plead not guilty by reason of insanity and the trial lasted two weeks. He was found sane and guilty on 15 counts of murder. He was sentenced to 15 life terms [That’s 957 years in prison]

He was extradited to Ohio in May that year where he plead guilty to the murder of his first victim Stephen Hicks. Jeffrey was attacked in prison on November the 28th 1994. Jeffrey and another prisoner were beaten by a fellow inmate with a bar from weight training equipment. He died on the way to hospital from severe head trauma. The apartment block where Jeffrey lived was demolished and is now a vacant lot…..Read More On Jeffrey Dahmer

Jeffrey Dahmer Movies


Made in cooperation with Jeffrey Dahmer’s parents, this uncompromising film examines how unconditional parental love can be affected by a son’s unimaginably gruesome and deviant nature. The apparent truth that may surprise some is that, to an extent, it in fact does remain unconditional. Through the Dahmer parents’ heartbreaking, painful, and possibly futile search for the cause of and meaning behind their son’s actions, this drama offers what was often thought to be impossible: a human point of view on a man regarded as a monster.
One of the most notorious serial killers in America was Wisconsin’s Jeffrey Dahmer. Dahmer’s exploits included killing 15 boys and resorting to cannibalism on their corpses. This biographical drama starring Jeremy Renner (TV’s ZOE, DUNCAN, JACK & JANE) does not focus on the grisly details of the murders, rather it sets out to comprehend an alienated man who struggles with his own sexuality until driven disturbingly over his head. The film uses flashbacks and very few characters to give a history of the serial killer’s upbringing and details as to what drove him over the edge.